|
Links
|
If you cannot view the fonts properly please download and Install this file. |
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
| বিশিষ্ট কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজের ৫৫তম জন্মদিন ০৭ সেপ্টেম্বর ৷ ১৯৫৪ সালের এই দিনে
তিনি চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ৷
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভুগোল বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স করার সময় যুক্ত হন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের সঙ্গে৷
এদেশের কৃষি উন্নয়ন ও কৃষি বাজার অর্থনীতিকে গণ জাগরণে রূপ দিতে তিনি সুদীর্ঘ আড়াই যুগ ধরে
একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছেন৷ গণমাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের কৃষি ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্যের নজীর
সৃষ্টি করেছেন৷
৮০ এর দশকে বিটিভিতে 'মাটি ও মানুষ' নামের কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান পরিচালনার মধ্য দিয়ে যে যাত্রা শুরু
করেছিলেন তারই ধারাবাহিকতায় চ্যানেল আই-এ 'হৃদয়ে মাটি ও মানুষ' এবং 'হৃদয়ে মাটি মানুষের ডাক',
বিটিভিতে 'কৃষি দিবানিশি' অনুষ্ঠান এবং বহুল প্রচারিত দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় দেশের পূর্ণাঙ্গ কৃষি পাতা 'মাটি
ও মানুষের কৃষি' সম্পাদনা করে প্রশংসিত হয়েছেন৷
দেশের কৃষি উন্নয়নে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য উন্নয়ন সাংবাদিকতায় মর্যাদাপূর্ণ একুশে পদকসহ তিনি
অর্ধশতাধিক পদকে ভূষিত হয়েছেন৷ অর্জন করেছেন 'অশোকা ফেলোশীপ'৷ এশিয়াতেও শাইখ সিরাজের কৃষি
উন্নয়ন ভাবনার জন্য দেয়া হয়েছে নানা স্বীকৃতি৷ রয়টার্স ও শ্রীলংকার ইয়ং এশিয়া টেলিভিশন তাঁর ওপর নির্মাণ
করেছে প্রামাণ্যচিত্র৷
এছাড়া কৃষকদের ঈদ আনন্দ, ফার্মার্স গেইমসে কৃষি পদক প্রবর্তন, কৃষকদের স্বাস্থ্য সেবাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ও
উদ্যোগ নেয়ায় তিনি প্রশংসিত হয়েছেন৷ বর্তমানে তিনি চ্যানেল আই-এর পরিচালক ও বার্তা বিভাগের প্রধান
হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন৷ তাঁর ৫৫তম জন্মদিনে তিনি দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা কামনা
করেন৷ 'গুণীজন'র পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ইং।
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
ডাঃ ইব্রাহিমের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী |
|
|
|
| বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
হচ্ছে ০৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ইং। ১৯৮৯ সালের এই দিনে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
দিবসটি পালনে সমিতি এবং এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সকাল সাড়ে
৮টায় ডাঃ ইব্রাহিমের বনানীর কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত জাতীয়
জাদুঘর ও প্রেসক্লাবের সামনে ছাড়াও নগরীর ১৪টি এলাকায় বিনামূল্যে ডায়াবেটিস রোগ নির্ণয়ের ব্যবস্থা, সকাল
সাড়ে ১০টায় বারডেমে ডায়াবেটিক রোগী ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মধ্যে মতবিনিময় ও প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান।
এছাড়া বেলা ১২টায় বারডেম মিলনায়তনে ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্মরণে এক স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টার স্পেশাল এ্যাসিসট্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এ
মালেক (অবঃ)। সমিতির অপর প্রতিষ্ঠান 'ইব্রাহিম কার্ডিয়াক' এ উপলক্ষে হৃদরোগের জন্য ফ্রি হার্ট ক্যাম্প-এর
আয়োজন করেছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ইং।
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
জিয়া হায়দার তাঁর কাজের মাঝে বেঁচে থাকবেন |
|
|
|
| কবি নাট্যকার জিয়া হায়দারের স্মরণসভায় বক্তারা বলেছেন, জিয়া হায়দার ছিলেন নিভৃতচারী৷ জীবদ্দশায় তাঁর
মূল্যায়ন না হলেও তাঁর কাজই তাঁকে বাঁচিয়ে রাখবে৷ ০৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ইং শিল্পকলা একাডেমীর
এক্সপেরিমেন্টাল হলে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ও নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়
আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন৷ স্মরণসভার শুরুতেই ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয় জিয়া
হায়দারের স্মরণে৷ এরপর তাঁর স্মরণে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বুলবুল ইসলাম৷ স্মরণসভায় জিয়া হায়দারের স্মরণে
শোকলিপি পাঠ করেন বিশিষ্ট নাট্য অভিনেতা আতাউর রহমান৷ তিনি বলেন, জিয়া হায়দার প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি
মানুষকে আলাদা করে দেখতেন সেটি তাঁর অনন্য দৃষ্টান্ত ৷
বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব রামেন্দ্র মজুমদার বলেন, জিয়া হায়দার ছিলেন দেশের নাট্য শিৰার পথিকৃত্৷ তিনি থিয়েটারের
উপর যে ৫ খন্ডের বই লিখেছেন তা নাট্য জগতের মানুষের জন্য অপরিহার্য৷ নিভৃতচারী এই মানুষটির জীবদ্দশায়
তাঁর যোগ্য মূল্যায়ন হয়নি৷ তবে তাঁর কাজ তাঁকে বাঁচিয়ে রাখবে৷
গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ম হামিদ বলেন, গুরু হিসাবে জিয়া হায়দারকে আমরা তাঁর অনুসারীরা
তাঁকে যোগ্য সম্মান হয়ত দিতে পারিনি৷ তবে তাঁর পথ ধরে আমরা চলছি৷ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক
ভুঁইয়া শফিকুল ইসলাম বলেন, নাট্যাঙ্গন থেকে আমরা প্রবীণদের হারিয়ে ফেলছি৷ বিশিষ্ট অভিনেত্রী সারা যাকের
বলেন, স্বাধীনতা-উত্তর আধুনিক নাট্য চর্চার শুরু হয়েছিল তাঁর বীজ বপন করেছিলেন জিয়া হায়দার৷
বেতার শিল্পী শফি কামাল বলেন, তিনি শুধু কবিতা বা মঞ্চেই নাটক নির্দেশনা দেননি৷ বেতারের নাটকের ক্ষেত্রেও
তাঁর ভূমিকা অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে৷ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হামিদা বানু বলেন, প্রচার বিমুখ জিয়া
হায়দার যেন নিভৃতেই চলে গেলেন৷ তবে তাঁর এ বিদায় বড় বেদনার৷
জিয়া হায়দারের ভাই রশিদ হায়দার বলেন, তাঁর সংগ্রাম ছিল নিরনত্মর৷ সৈয়দ শামসুল হক বলেন, জিয়া হায়দার
একজন কবি হিসাবেই আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন৷
সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮ইং ৷
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
গীতিকার ও কবি ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান আর নেই |
|
|
|
| প্রখ্যাত গীতিকার ও কবি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ, মনিরুজ্জামান (৭২) গত বুধবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ইং সন্ধ্যা
ছয়টায় বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না ল্লিন্নাহি...রাজিউন)। তিনি দীর্ঘ পাঁচ বছর
ধরে বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি তাঁর ওপনে হার্ট সার্জারি হয়। এর আগে তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়। তিনি
কিডনির জটিলতায়ও ভুগছিলেন।
তিনি গীতিকার মোহাম্মদ রফিকুজ্জামানের বড় ভাই। মনিরুজ্জামান স্ত্রী, এক মেয়ে, এক ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী
রেখে গেছেন।
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের লেখা অসংখ্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে উল্লেযোগ্য হলো আবদুল আহাদের সুরে 'আমার
দেশের মাটির গন্ধে ভরে আছে সারা মন', সত্য সাহার সুরে 'তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়', আলী
হোসেনের সুরে 'হলুদ বাটো মেন্দি বাটো, বাটো ফুলের মৌ' ইত্যাদি। তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধের কবিতা 'কবিতায় আর
কি লিখব?/যখন বুকের রক্তে লিখেছি/একটি নাম/বাংলাদেশ' উল্লেখযোগ্য।
মনিরুজ্জামানের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে আছে দুর্লভ দিন, শঙ্কিত আলোকে, বিপন্ন বিষাদ, প্রতনু প্রত্যাশা,
কোলাহলের পর, ধীর প্রবাহ, ভাষাময় প্রজাপতি ইত্যাদি। গবেষক হিসেবেও তাঁর খ্যাতি ছিল।
ড. মনিরুজ্জামান ১৯৩৬ সালের ১৫ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম মোহাম্মদ শাহাদত আলী
এবং মায়ের নাম রাহেলা খাতুন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে ১৯৫৮ সালে প্রথম
শ্রেণীতে স্নাতক (সম্মান), ১৯৫৯ সালে প্রথম শ্রেণীতে স্লাতকোত্তর এবং ১৯৬৯ সালে পিএইডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৫৭-৫৮ সালে মনিরুজ্জামান দৈনিক মিল্লাত পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন। ১৯৫৯ সালে তিনি ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ফেলো, ১৯৬২ সালে ওই বিভাগের প্রভাষক এবং ১৯৭৮ সালে চেয়ারম্যান নিযুক্ত
হন। ১৯৫৬ সাল থেকে তিনি গান লিখতে শরু করেন।
০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ইং রাতে তাঁর মৃতদেহ উত্তরার নিজ বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ইং
বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে। দুপুরে
বিশ্বাবদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাজা শেষে যশোরের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে সমাধিস্থ করা হবে।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ইং।
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
চলে গেলেন নাট্যব্যক্তিত্ব ও কবি জিয়া হায়দার |
|
|
|
| চলে গেলেন দেশের খ্যাতনামা নাট্য ব্যক্তিত্ব, কবি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের অবসর প্রাপ্ত
শিক্ষক জিয়া হায়দার আজ ০২ সেপ্টেম্বর সকাল ৭:৫৫ মিনিটে সবাই ছেড়ে অসীমের পথে চলে গেলেন। দীর্ঘ চার
মাস তিনি নন হজকিন্স লিম্ফমা'য় ভুগছিলেন৷
নাগিরক নাট্য সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিয়া হায়দারকে ২৬ আগষ্ট লালমাটিয়ার সিটি হার্ট হাসপাতালে
কেমোথেরাপির দেওয়ার জন্য ভর্তি করা হয়। কিন্তু সত্তর বছর বয়স্ক জিয়া হায়দারের শরীর এই দুরারোগ্য রোগের
বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে ততটা শক্তিশালী ছিল না।
আজ সকাল ১১ টায় তাঁর মরদেহ সর্বসাধারেণর শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয়
বাংলা'র পাদদেশে রাখা হবে। এরপর বেলা ১২ টায় নিয়ে যাওয়া হবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে। সেখানে নামাজ-এ-
জানাজা শেষে পাবনার দোয়ারপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
১৯৩৬ সালে পাবনা জেলার দোয়ারপাড়ায় জিয়া হায়দার জন্মগ্রহন করেন। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে তিনি
বাংলাদেশের
আধুনিক নাট্য আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। ১৯৬৮ সালে তিনি নাগিরক নাট্য সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তিনি ১৯৮২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। জিয়া হায়দারের উদ্যোগের
ফলেই বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নাট্যতত্ব একাডেমিক বিষয়ে পরিণত হয়। ১৯৭০ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যতত্ব
বিভাগ খোলা হলে সহকারি অধ্যাপক হিসেবে তিনি সেখানে যোগদান করেন৷
'এলেবেলে'র মত নাটক তাঁরই সৃষ্টি, এই 'এলেবেলে' ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী পুরস্কার অর্জন
করে। নাট্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি গত বছর 'শহীদ মুনির চৌধুরী পুরস্কার' পান। তিনি বিভিন্ন নাটক
লিখেছেন এবং অনুবাদও করেছেন। জিয়া হায়দার রচিত উল্লেখ্যযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে- 'শুভ্র, সুন্দর, কল্যাণী,
আনন্দ', 'মুক্তি মুক্তি', 'এলেবেলে'।
নাটকের মত লেখালেখির জগেতও ছিল তাঁর সমান পদচারণা । তিনি বিভিন্ন বই রচনা করেছেন। নাট্য বিষয়ক
বইয়ের মধ্যে রয়েছে পাঁচ খণ্ডের 'থিয়েটারের কথা', 'স্তানিস্লাভস্কির তথ্য', 'এপিক থিয়েটার ও অন্যান্য', 'বাংলাদেশের
থিয়েটার ও অন্যান্য প্রবন্ধ' ইত্যাদি। তাঁর লেখা নাটকের বই দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়সহ রবীন্দ্রভারতী
বিশ্ববিদ্যালয়েরও পড়ানো হয়। কবিতার বইয়ের মধ্যে আছে- 'একতারাতে কান্না', 'ভালোবাসার পদ্য'।
সূত্র : 'গুণীজন'
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|