|
ডা: রোনাল্ড হালদার
ডাঃ রোনাল্ড হালদার পেশায় একজন ডাক্তার। পেশায় ডাক্তার হলেও তাঁর জীবন, কর্ম
এবং চিন্তা জুড়ে রয়েছে বাংলাদেশের প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাখি এবং এদের
সংরক্ষণের তাগিদ৷ রোনাল্ড হালদার একজন শৌখিন “Wild Life Videographer”।
তিনি সারা দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন প্রকৃতির এসকল অসামান্য সৃষ্টির ছবি তুলতে এবং
সেগুলোকে রক্ষা করার জন্য সর্বমহলে প্রচারণা করেছেন তাঁর সাধ্যমতো৷ তিনি তাঁর
কর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রকৃতিকে সংরক্ষণের অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এবং
সফলতাও পেয়েছেন অনেক৷
রোনাল্ড হালদার তাঁর 'টাঙ্গুয়া হাওর' সিডিটির বিপণন ও বিক্রয়ের দায়িত্ব "গুণীজন"-কে দিয়েছেন এবং এর বিক্রয়লব্ধ অর্থ "গুণীজন"-এর তহবিলে জমা করার মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন।
|
ড: ক্যাথেরীনা রোজারিও
গবেষণা এবং পরবর্তীতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন আশির দশকের বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম সাহসী সংগঠক ও কর্মী ড: ক্যাথেরীনা রোজারিও । তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি শেষে বর্তমানে ফ্লোরিডা সরকারের শিক্ষা বিভাগে কর্মরত। ক্যাথেরীনা তাঁর আবৃত্তির সিডি "একজন অনিমেষ আজো জেগে আছো"- এর বিক্রয়লব্ধ অর্থ "গুণীজন"-কে প্রদানের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
|
ড: অনন্য রায়হান
১ মার্চ, ২০০৫ সালে ডি.নেট এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন ৷ তিনি ডি.নেট এর গভর্নিং বডি এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন ৷
|
মাহমুদ হাসান
১ ডিসেম্বর, ২০০৩ সালে কর্মসূচি পরিচালক হিসেবে ডি.নেট এ যোগদান করেন ৷ বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ টেলিসেন্টার নেটওয়ার্ক-এর প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন৷
|
অজয় কুমার বোস
১ জানুয়ারি, ২০০৩ সালে প্রধান-অর্থ ও প্রশাসন হিসেবে ডি.নেট এ যোগদান করেন ৷ বর্তমানে তিনি 'প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক' (ইনস্টিটিউশনাল অ্যাফেয়ারস্) এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ৷ এছাড়া তিনি 'কম্পিউটার সাক্ষরতা কর্মসূচি'র প্রকল্প সমন্বয়কের দায়িত্বও পালন করছেন৷
|
ফেরদৌসী আক্তার
২ আগস্ট, ২০০৫ সালে 'অবলম্বন-১' এর প্রকল্প সমন্বয়কারী হিসেবে ডি.নেট এ যোগদান করেন ৷ তিনি বাংলাদেশ টেলিসেন্টার নেটওয়ার্ক-এ'র কর্মসূচি ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০০৮ সালের ৩০ নভেম্বর অব্যাহতি নেন। ৷
|
এস.এম আশরাফ আবীর
২ এপ্রিল, ২০০৫ সালে কর্মসূচি সহযোগী হিসেবে ডি.নেট এ যোগ দেন ৷ পরবর্তীতে তিনি গুণীজন-এর প্রকল্প সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন ৷ বর্তমানে তিনি মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট এ্যান্ড কমিউনিকেশন'র (এমসিসি) প্রকল্প সমন্বয়কারী ও নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন ৷
|
দেওয়ান মুহম্মদ মুবিন
২ মে, ২০০৫ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে ডি.নেট এর হিসাব বিভাগে যোগদান করেন৷ তিনি হিসাব বিভাগের ইন-চার্জ-এ দায়িত্বরত ছিলেন৷ ২০০৯ সালের ০২ ফেব্রুয়ারী ডি.নেট থেকে অব্যহতি নেন।
|
আকিব আরা জেসমিন
২ এপ্রিল, ২০০৫ সালে 'অবলম্বন-১' প্রকল্পে গবেষণা সহযোগী (আইন ও মানবধিকার) হিসেবে ডি.নেট এ যোগদান করেন ৷ এছাড়া তিনি বুলেটিন সম্পাদনার কাজেও দায়িত্বরত ছিলেন ৷ ৩০ জুন, ২০০৮ ইং অসুস্থতা জনিত কারণে তিনি চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন ৷
|
মাজেদুর রশিদ জনি
১ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ সালে কর্মসূচি সহযোগী হিসেবে ডি.নেট এ যোগ দেন ৷ তিনি মানবসম্পদ বিভাগের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালেনর পর ২০০৮-এ পদত্যাগ করেন ৷
|
শুভ আহমেদ
২ জুন, ২০০৩ সালে কর্মসূচি সহকারী হিসেবে ডি.নেট এ যোগ দেন৷ পরবর্তীতে তিনি কর্মসূচি সহযোগী হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন ৷ তিনি ডাটা এন্ট্রি, ডেস্কপট পাবলিশিং, কম্পোজিং ইত্যাদি কাজে পারদর্শী ৷ তিনি ২০০৮ সালের ৩০ অক্টোবর ডি.নেট থেকে অব্যহতি নেন।
|
নাজনিন মতিন
৫ এপ্রিল, ২০০৫ সালে 'অবলম্বন' প্রকল্প-এ কর্মসূচি সহযোগী হিসেবে ডি.নেট এ যোগ দেন ৷ তিনি 'অবলম্বন-২' প্রকল্পের কেন্দ্র ব্যবস্থাপনার কাজে দায়িত্ব পালন করেন ৷ তিনি ২০০৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ডি.নেট থেকে অব্যহতি নেন। বর্তমানে তিনি বিশ্ব ব্যাংকের একটি প্রকল্পে কর্মরত আছেন।
|
মো: নূর আলম
৫ জুন, ২০০৫ সালে কর্মসূচি সহকারী (ডাটা এন্ট্রি অপারেটর) হিসেবে ডি.নেট এ যোগদান করেন৷ ৩০ এপ্রিল, ২০০৭ ইং তিনি ডি.নেট-এর চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন।
|
|
|
কাজী এম. বদরুদ্দোজা
বাংলাদেশের কৃষিবিজ্ঞানের এক প্রথিতযশা বিজ্ঞানী, যাঁর নিরলশ পরিশ্রম ও একাগ্র সাধনার ফলে এদেশের কৃষক ও কৃষি পেয়েছে আধুনিকতা ও উন্নয়নের ছোঁয়া। গত ২০-২৫ বছর যাবৎ দেশে যে উন্নত জাতের পেয়ারা উৎপাদিত হয় সেই 'কাজী পেয়ারা'র উদ্ভাবক হচ্ছেন দেশের সুনামধন্য কৃষি বিজ্ঞানী ড. কাজী এম বদরুদ্দোজা। বর্তমানে ন্যাশনাল এ্যামিরেটস সায়েন্টিস্ট কাজী এম বদরুদ্দোজা বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে কর্মরত আছেন।
|
ড: মুস্তাফিজুর রহমান
বর্তমানে সেন্টার ফর
পলিসি ডায়লগ-এর নির্বাহী পরিচালক
হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবরক্ষণ ও তথ্য পদ্ধতি
বিভাগে অধ্যাপনা করছেন।
|
মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট এ্যান্ড কমিউনিকেশন (এমসিসি)
ডি.নেটের সহযোগী প্রতিষ্ঠান
মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট এ্যান্ড কমিউনিকেশন
(এমসিসি) কমিউনিটি ব্রডকাস্টিং সার্ভিস,
ডিজিটাল ডিজাইন, কনটেন্ট, মাল্টিমিডিয়া
ইত্যাদি নিয়ে কাজ করছে।
|
তৌফিক আহমদ চৌধুরী
ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বর্তমানে অধ্যাপক এবং 'সেন্টার
ফর দ্যা পোষ্ট গ্র্যাজুয়েট স্ট্যাডিস' এর পরিচালক- হিসেবে
বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট এ কর্মরত
রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ডি.নেটের সভাপতি এবং
পরিচালনা পর্ষদের সদস্য।
|
মুহাম্মদ আতিকুর রহমান
মুহাম্মদ আতিকুর রহমান ২০০৭ সালের ১৬ আগষ্ট উর্ধ্বতন সহকারি পরিচালক হিসেবে ডি.নেট-এ যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি উর্ধ্বতন গবেষণা সহযোগী হিসেবে ডি.নেট-এ কর্মরত আছেন।
|
ফাহিম মাশরুর
জনাব ফাহিম মাশরুর দেশের প্রথম জবপোর্টাল বিডিজবস্ ডট
কম এর প্রধান নির্বাহী পরিচালক। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অব সফট্ওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসের
(বেসিস) একজন সদস্য। তিনি বাংলাদেশের ই-কমার্সের একজন সার্থক উদ্দ্যোক্তা।
|
সারওয়ার উদ্দিন আহমেদ
সারওয়ার উদ্দিন আহমেদ ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব
বাংলাদেশের ফাইন্যান্স বিভাগের একজন সহকারি অধ্যাপক। তিনি পরিবেশ সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় এবং
ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ে অনেক গবেষণা করেছেন। তিনি সেন্টার
ফর এনভায়রোনমেন্টাল ইফরম্যাশন সাইন্স, টোকিও, জাপান
কর্তৃক ২০০৫ সালে এনভায়রোনমেন্টাল ইফরম্যাশন সাইন্স পেপার পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ডি.নেটের রিসার্চ ফেলো এবং পাশাপাশি ট্রেজারারের দায়িত্বও পালন করছেন।
|
শাহ মো: আহসান হাবীব
ড. শাহ মো: আহসান হাবীব বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট এর সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। একই সাথে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণ
বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বও পালন করছেন। তিনি ডি.নেটের একজন রিসার্চ ফেলো।
|
রহিমআফরোজ বাংলাদেশ লিমিটেড
১৯৫৪ সালে এ.সি আব্দুর রহিম রহিমআফরোজ বাংলাদেশ লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন। রহিমআফরোজ বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। ৫০ বছরেরও বেশী সময় ধরে কোম্পানীটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তার ব্যবসা পরিচালনা করছে। সাতটি মূল স্ট্র্যাটেজিক বিজনেস ইউনিট ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিটে কোম্পানীটি তারঁ ব্যবসা পরিচালনা করছে। কোম্পানীটি মোট তিনটি ক্ষেত্রে তার ব্যবসা এগিয়ে নিচ্ছে, এগুলো- অটোমোটিভ আফটার মার্কেট, পাওয়ার এ্যান্ড এ্যানাজি এবং রিটেইল চেইন। কোম্পানীটির বাজারজাতকৃত দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- টায়ারস্, ব্যাটারিজ, লুব্রিক্যান্টস্, ইমারজেন্সি পাওয়ার প্রোডাক্ট, ডিজেল এবং গ্যাস জেনারেটরসহ ইত্যাদি। রহিমআফরোজ
বাংলাদেশে প্রথম রিটেইল চেইন এর উদাহরণ 'আগোরা' চালু
করে।
|
গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড
গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড ঢাকা ভিত্তিক তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির নানাবিধ সমস্যার সমাধান সরবরাহকারি কোম্পানী। সুন্দর আগামী প্রতিষ্ঠা- এই প্রত্যয় নিয়ে ১৯৯৬ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সাশ্রয়ী তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির নানাবিধ সমস্যার সমাধান সরবরাহ করা এবং আধুনিক জীবনযাত্রায় কাম্য চাহিদার সঙ্গে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে কোম্পানীটি। দেশীয় এবং আর্ন্তজাতিক পর্যায়ের প্রায় ৩০০ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছে কোম্পানীটি।
|
আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকা
১৯৫৯ সালে এদেশে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকা প্রতিষ্ঠিত
হয়। সমগ্র এশিয়ার আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ এর শাখাগুলোর মধ্যে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকা প্রাচীন/পুরোনো (অলডেস্ট)। এই
প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হল ফরাসি সংস্কৃতিকে বিশেষ করে ফরাসি
ভাষা এদেশিয়দের কাছে পরিচিত করে তোলা এবং পাশাপাশি বাঙালি সংস্কৃতিকে ফ্রান্সে পরিচিত করা। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি ফরাসি ভাষা প্রশিক্ষণ, ইংরেজী ভাষা প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে। ১৮৮৩ সাল থেকে বিশ্বের প্রায় ১৩২টি দেশে ১,০৬২টি শাখার মাধ্যমে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ তাঁর কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে ঢাকার ধানমন্ডি, বারিধারা এবং উত্তরা ছাড়াও চট্টগ্রামে এর আরও একটি পূণাঙ্গ শাখা রয়েছে।
|
এটিএন বাংলা
এটিএন বাংলা ১৯৯৭ সালের ১৫ জুলাই বাংলাদেশের প্রথম
বাংলাভাষী স্যাটালাইট টেলিভিশন চ্যানেল হিসিবে যাত্রা শুরু
করে। ২০০১ সাল থেকে টেলিভিশন চ্যানেলটি বস্তুনিষ্ঠ
সংবাদ সম্প্রচার করে যাচ্ছে। বর্তমানে চ্যানেলটি দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার প্রায় একশ আটত্রিশটি দেশে সম্প্রচার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ২০০৪ সালে ছোট পর্দার অস্কার খ্যাত এমি এওয়ার্ড অর্জন করে এটিএন বাংলার ছোটদের তৈরী 'আমরাও পারি' অনুষ্ঠানটি।
|
বাংলাভিশন
বাংলাভিশন ২০০৬ সালের ৩১ মার্চ থেকে
যাত্রা শুরু করে। এরপর থেকে স্যাটেলাইট
চ্যানেলটি প্রতিদিন ২৪ ঘন্টা তার
সম্প্রচার অব্যাহত রেখেছে। শ্যামল বাংলা
মিডিয়া লিমিটেড এর মালিকানাধীন
বাংলাভিশন অষ্ট্রেলিয়া, কোরিয়া,
জাপানসহ দুর প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে এবং
পশ্চিম এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা এবং উত্তর
আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তার
সম্প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ৩৫০
কর্মকর্তা ও কর্মচারি সর্বক্ষণ দশর্কদের
চাহিদা অনুযায়ী অনুষ্ঠান নির্মাণে তাদের
দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
|
|