সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে : Thursday 24th of July 2008 - 04:15:21 AM 
Links
সাহিত্য
শিল্পকলা
সমাজবিজ্ঞান
দর্শন
শিক্ষা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঙ্গীত
পারফর্মিং আর্ট
প্রকৃতি ও পরিবেশ
গণমাধ্যম
মুক্তিসংগ্রাম
ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন
ভাষা আন্দোলন
মুক্তিযুদ্ধ
মুজিবনগর সরকার
সেনা প্রধান ও সেক্টর কমান্ডার
বীর শ্রেষ্ঠ
বীর উত্তম
বীর বিক্রম
বীর প্রতীক
শহীদ বুদ্ধিজীবি
স্থাপত্য
সংগঠক
ক্রীড়া
মানবাধিকার
লোকসংস্কৃতি
নারী অধিকার আন্দোলন
আদিবাসী অধিকার আন্দোলন
যন্ত্র সংগীত
উচ্চাঙ্গ সংগীত
আইন
আলোকচিত্র
সাহিত্য গবেষণা
ইতিহাস গবেষণা
চিকিৎসা বিদ্যা
বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা
উপদেষ্টা পরিষদ
গুণীজন কর্মসূচীর ইতিহাস
গুণীজনের পেছনে যাঁরা
গুণীজন দল
 
Online Exhibition
New Prof
মোহাম্মদ কিবরিয়া কাজী সালাউদ্দিন আবু ইসহাক
 
     
কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ পদক পেলেন ১৬ গুণীজন
 
এ বছর কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ পদক পেলেন ১৬ গুণী ব্যক্তি। এ উপলক্ষে ' কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ফাউন্ডেশন' গত ১৪ জুলাই রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক পুরস্কার প্রদান ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সংবর্ধিত ১৬ গুণীজনকে অভিনন্দন জানিয়ে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী বলেন, ' আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ এ দেশের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। মাটি ও মানুষের প্রতি তাঁর মমত্ববোধ আমাদের প্রেরণা জোগায়। কবির রচনার সংখ্যা কম, কিন্তু যা লিখেছেন তা স্পর্শ করে যায়। কবিতায় শুধু নয়, সমাজসেবা, কৃষি-মানব উন্নয়ন ও দক্ষ প্রশাসক হিসেবে দেশে-বিদেশে তাঁর খ্যাতি রয়েছে।'

এ বছর যাঁরা কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ পুরস্কার পেয়েছেন তাঁরা হলেন- অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ (অর্থনীতি), মোহাম্মদ কামালউদ্দিন আহমেদ (প্রশাসন), রাহাত খান (কথাসাহিত্য), ইকবাল সোবহান চৌধুরী (সাংবাদিকতা), অধ্যাপক ড. আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক (শিক্ষা), সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ (ব্যাংকিং), নাসির আহমেদ (কবিতা), রহীম শাহ (শিশুসাহিত্য), মাঈনুদ্দীন বিশ্বাস (শিল্প-বাণিজ্য), ইঞ্জিনিয়ার সফিকুর রহমান (শিল্প-বাণিজ্য), কে এম হোসেন (শিক্ষা বিস্তার), জি এম আফছার উদ্দীন (মাইকেল গবেষণা), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মোল্লা (গীতিকবিতা), রাখি ভৌমিক (সংগীত), আলহাজ সেলিম মাস্টার (সমাজসেবা) ও শেখ তোফায়েল হোসেন লিটন (সমাজসেবা)।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ বলেন, ' মানুষকে আপন করে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা ছিল আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর।' কবি নাসির আহমেদ বলেন, ' আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ সরল ও সহজবোধ্য রচনার মধ্য দিয়ে জীবনের গভীরতর ব্যঞ্জনা প্রকাশ করেছেন।' ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আরিফ নজরুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি এড স্পিজকারস।

২০০১ সালের ২১ মার্চ কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন । কবির মৃত্যুর কিছুদিন পরেই তাঁর ভক্ত- অনুরাগীরা ' কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ফাউন্ডেশন' প্রতিষ্ঠা করে । প্রতিষ্ঠানটি ২০০৫ সাল থেকে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য গুণী ব্যক্তিদের পদক দিয়ে আসছে।

'কুমড়ো ফুলে ফুলে/নুয়ে পড়েছে লতাটা/সজনে ডাঁটায়/ভরে গেছে গাছটা, /আর আমি/ডালের বড়ি শুকিয়ে রেখেছি।/খোকা, তুই কবে আসবি?/কবে ছুটি?' ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে এ কবিতাটি লেখা হয়। কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর এ রকম আরও অনেক বিখ্যাত কবিতা রয়েছে। ' আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' , ' সাত নরী হার' , ' মা দুঃখ পাবে' ইত্যাদি কবিতার জীবন ঘনিষ্ঠ ও সাহসী উচ্চারণ আমাদের মননে-স্মৃতিতে বারবার শিহরিত হয়।

 
   
 
     
সাংবাদিক নির্মল সেন পেলেন পিআইবি-'সোহেল সামাদ স্মৃতি পুরস্কার'
 
প্রতিথযশা সাংবাদিক নির্মল সেন এ বছরের পিআইবি-'সোহেল সামাদ স্মৃতি পুরস্কার' পেয়েছেন। গত ১০ জুলাই বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের (পিআইবি) সেমিনার কক্ষে এক অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

সাংবাদিকতায় নির্মল সেনের অবিস্মরণীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পিআইবি-সোহেল সামাদ স্মৃতি ট্রাস্ট তাঁকে এ পুরস্কারে ভূষিত করেছে। পুরস্কারপ্রাপ্তির পর সাংবাদিক নির্মল সেন লিখিত বক্তব্যে পিআইবির প্রতিষ্ঠাকালীন তাঁর সংশ্লিষ্টতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'পিআইবির আমন্ত্রণে এখানে আসতে পেরে মনে হচ্ছে নিজের ঘরে ফিরেছি।'

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ রাশিদুল হাসান পিআইবিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সাংবাদিকতায় স্নাতকত্তোর কোর্স চালুর ঘোষণা দেন।

পিআইবির মহাপরিচালক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত মাহমুদ, ট্রাস্ট জুরি বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান, অধ্যাপক মনসুর মুসা, ছড়াকার আবু সালেহ, অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, সোহেল সামাদের বড় ভাই ডা: বেলাল সামাদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

 
   
 
     
সিটি ব্যাংক এনএ'র আজীবন সম্মাননা পেলেন সোহরাব হোসেন
 
গত ১১ জুলাই সিটি ব্যাংক এনএ'র আজীবন সম্মাননা পেলেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী সোহরাব হোসেন।এ উপলক্ষে ১১ জুলাই বিকেলে স্থানীয় একটি হোটেলে 'গানে গানে গুণীজন সংবর্ধনা' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সিটিব্যাংক এনএ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিটি কান্ট্রি কর্মকর্তা (সিসিও) মামুন রশীদ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ সোহরাব হোসেনের হাতে এ সম্মাননা পদক তুলে দেন । সম্মাননার প্রতিক্রিয়ায় সোহরাব হোসেন বেতার ও টেলিভিশনের শিল্পীদের জন্য সম্মানী বাড়ানোসহ শেষ বয়সে শিল্পীদের জীবিকা নির্বাহের জন্য বিশেষ সম্মানী প্রবর্তনের অনুরোধ জানান।

''নজরুল সংগীত ও সোহরাব হোসেন একাকার হয়ে আছেন। তাঁর কণ্ঠ ঈশ্বর প্রদত্ত। ১৯৪৮ সালে তাঁর কণ্ঠে নজরুল সংগীত যে রকম শুনেছি, এখনো তেমনই আছে। বয়স তাঁর কণ্ঠকে হার মানাতে পারেনি।'' 'গানে গানে গুণীজন সংবর্ধনা' অনুষ্ঠানে এভাবেই প্রবীণ নজরুল সংগীত শিল্পী সোহরাব হোসেনকে নিয়ে এমন মন্তব্য করলেন নজরুল-গবেষক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।

সোহরাব হোসেনকে নিয়ে বিশেষ বক্তব্যে অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম আরো বলেন, "নজরুল সংগীতে গান গাওয়ার জন্য তাঁর মতো এমন যথার্থ কণ্ঠ দেখা যায় না। তাঁর মতো নজরুল সংগীত শিল্পী দেশে আসেনি, আসবেও না।'' তিনি আয়োজকদের কাছে দুস্থ শিল্পীদের সহায়তার জন্য তহবিল গঠনের প্রস্তাব দেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সোহরাব হোসেনের মেয়ে রাহাত আরা গীতি ও রওশন আরা সোমা দুটি নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মঞ্চে আসেন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী সাদী মহম্মদ। শুরুতেই তিনি বলেন, 'সোহরাব ভাই আমাদের শিল্পীদের শিল্পী।' এরপর সাদী মহম্মদ তিনটি গান পরিবেশন করেন। এছাড়াও নজরুল সংগীত শিল্পী ফাতেমা-তুজ-জোহরা এবং আধুনিক গানের জনপ্রিয় শিল্পী সামিনা চৌধুরী গান পরিবেশন করেন।

সবশেষে সিটিব্যাংক এনএ'র করপোরেট অ্যাফেয়ার্সের প্রধান মেহরিন মহিউদ্দিন সিটিব্যাংক এনএ'র পক্ষ থেকে শিল্পী সোহরাব হোসেনের চিকিৎসার আর্থিক ব্যয় নির্বাহের জন্য এক লাখ টাকার বিশেষ অনুদানের ঘোষণা দেন।

 
   
 
     
সাংবাদিক কামাল লোহানীর ৭৫তম জন্মদিন পালিত
 
সাংবাদিক কামাল লোহানীর ৭৫তম জন্মদিন আজ ২৬ জুন। ১৯৩৪ সালের ২৬ জুন সিরাজগঞ্জ জেলার কাউলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন তিনি। পেশাগত পরিচয়ে তিনি বাংলাদেশের একজন ডাকসাঁইটে সাংবাদিক। সত্যের উচ্চারণে শিরোদাত্ত ছিল তাঁর কলম। চল্লিশ বছরের বেশি সময় ব্যাপী তাঁর সাংবাদিক-জীবন।

পাকিস্তানী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে বাংলার গণচেতনাকে গণসংগীতের আগ্নেয় চাবুক মেরে মেরে শুধু উদ্দীপিত করেছেন তাই নয়, স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলনে উণ্মাতাল করে তুলেছিলেন। নিপীড়িত মানুষ যুদ্ধের জন্যে শাণিত হয়ে উঠেছিল। এই সাহস ও দায়বদ্ধতা কামাল লোহানীকে সেদিন সারা বাংলার সংগ্রামী সাংস্কৃতিক মন্ডলে একক যোদ্ধা পুরোধা-ব্যক্তিত্বে পরিণত করে। কিংবদন্তী কামাল লোহনী অধিষ্ঠিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট প্রভৃতি সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে।

সাংবাদিক কামাল লোহানীর জন্মদিনের উপহারে এ বছর যোগ হয়েছে 'জাহানারা ইমাম স্মৃতি পদক'। এ বছর সাংবাদিক কামাল লোহানী ও জাতীয় কবিতা পরিষদকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। আজ বিকেল চারটায় ধানমন্ডির ২৭ নম্বর সড়কে ডব্লিউভিএ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তব্য দেবেন বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী। 'গুণীজন' এর পক্ষ থেকে গুণীজন কামাল লোহানীর জন্মদিন এবং 'জাহানারা ইমাম স্মৃতি পদক' লাভ করায় অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

 
   
 
     
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি'র গুণীজন সংবর্ধনা
 
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সংগীত ও নৃত্য বিভাগ আজ সন্ধ্যায় একাডেমীর জাতীয় সংস্কৃতি মিলনায়তনে গুণীজন সংবর্ধনা'র আয়োজন করেছে। দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সংগীত ও নৃত্যকলা'র ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছর বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম, সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, শাহনাজ রহমতুল্লাহ, নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী এবং জিনাত বরকতউল্লাহকে সম্মাননা দেয়া হচ্ছে ।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক ভূইয়া সফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী। সংবর্ধনা প্রদানের পর দেশের বিশিষ্ট শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র- দৈনিক ইত্তেফাক, ২৫ জুন ২০০৮ ইং।