|
Links
|
If you cannot view the fonts properly please download and Install this file. |
| |
|
|
|
|
|
| |
 |
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
আবদুল্লাহ আল-মামুনের জন্মোৎসব
মামুনের খুব ইচ্ছা ছিল, তাঁর জন্মদিনটা বন্ধুদের সঙ্গে উদ্যাপন করবে। ও আগেই
বুঝতে পেরেছিল, ওর সময় আর খুব বেশি দিন নেই। তাই হয়তো এমন ইচ্ছা
হয়েছিল। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হলো, গত বছর সেই জন্মদিনেই ওর মস্তিষ্কেক
অস্ত্রোপচার করা হয়। ইচ্ছাটা তাঁর অপূর্ণই রয়ে গেল। তাই তাঁর মৃত্যুর পর প্রথম
জন্মদিনটা আমরা বেশ বড় আকারে উদ্যাপন করার পরিকল্পনা করেছি। বললেন
রামেন্দু মজুমদার।
১২ জুলাই নাট্যব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আল-মামুনের জন্মদিন। এ উপলক্ষে যৌথভাবে আট
দিনব্যাপী জন্মোৎসবের আয়োজন করেছে থিয়েটার ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী।
থিয়েটারের পরিচালক (সাংগঠনিক) রামেন্দু মজুমদার জানান, বাংলাদেশ
শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালায় এ উৎসব শুরু হবে ১০ জুলাই ২০০৯ইং।
উৎসবে আবদুল্লাহ আল-মামুনের লেখা ও নির্দেশনায় তৈরি নাটক মঞ্চায়নের
পাশাপাশি তাঁর পরিচালনায় নির্মিত চলচ্চিত্র, ভিডিও ও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা
হবে। পাশাপাশি তাঁর ব্যবহার করা ব্যক্তিগত জিনিসপত্র, পান্ডুলিপি ও বইয়ের
প্রদর্শনী হবে।
তিনি আরও জানান, উৎসবে মঞ্চস্থ হবে থিয়েটারের স্পর্ধা, মেরাজ ফকিরের মা
ও মাইক মাস্টার; নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের এখন দুঃসময়, বাংলাদেশ শিল্পকলা
একাডেমীর শপথ, রূপঙ্করের সুবচন নির্বাসনে, পালাকারের বিবিসাব, সেন্টার ফর
এশিয়ান থিয়েটারের সেনাপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের
পরিবেশনায় তৃতীয় পুরুষ নাটকগুলো। আর চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে স্টুডিও
থিয়েটারে। থাকছে দুটি সেমিনারও। আর এগুলোর বিষয় আবদুল্লাহ আল-মামুন:
নাটকে সমসময় ও আবদুল্লাহ আল-মামুন: ব্যক্তি ও স্রষ্টা।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ০১ জুলাই ২০০৯ইং।
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরেট ডিগ্রি পেলেন ফজলে হাসান আবেদ
ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন ফজলে হাসান আবেদকে সম্মানসূচক ডক্টরেট
ডিগ্রি প্রদান করেছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। দরিদ্রদের অধিকার
প্রতিষ্ঠার নিরলস যোদ্ধা হিসেবে অবদানের জন্য তাঁকে এ ডিগ্রি দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য লর্ড প্যাটেন অব বার্নস ২৪ জুন ২০০৯ইং আবেদকে এ
ডিগ্রি প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে উন্নয়ন, শিল্পকলা ও বিজ্ঞান জগতের আরও পাঁচজন
বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এ ডিগ্রি দেওয়া হয়।
ফজলে হাসান আবেদের প্রশংসাপত্রে বলা হয়, দারিদ্র্যকে তিনি কোনো সাধারণ
বিষয় হিসেবে গণ্য না করে এর গভীরের বহুমূখী কারণকে চিহ্নিত করেছেন। তিনি
বিশ্বাস করেন, দারিদ্র্যের উৎস এবং প্রকৃতির যথাযথ বিশ্লেষণ ছাড়া তাকে
নির্মূল করা অসম্ভব। দরিদ্র মানুষকে সহায়তা দিয়ে তিনি তাদের স্বাবলম্বী হয়ে
ওঠার পথে অগ্রসর করে দেন।
ফজলে হাসান আবেদ ১৯৭২ সালে ব্র্যাক গড়ে তোলেন। পরে ব্র্যাক দীর্ঘমেয়াদি
সমাজ উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করে। বর্তমানে ব্র্যাক বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি
উন্নয়ন সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন
এবং মানবাধিকার কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। দেশি ও
বিদেশি অসংখ্য পুরস্কার ছাড়াও আবেদ ১৯৯৪ সালে কানাডার কুইন্স ইউনিভার্সিটি
থেকে ডক্টর অব ল এবং ২০০৩ সালে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি
থেকে ডক্টর ইন এডুকেশন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর অব
হিউম্যান লেটার ডিগ্রি লাভ করেন।
তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে
ক্লিক
করুন।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুন ২০০৯ইং।
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
কামাল লোহানীর ৭৫তম জন্মবার্ষিকী
২৬ জুন ২০০৯ইং দেশের প্রগতিশীল আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা শিল্পকলা একাডেমীর
মহাপরিচালক কামাল লোহানীর ৭৫তম জন্মবার্ষিকী।
তিনি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানার সনতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ৪৭
পরবর্তী থেকে পূর্ব বাংলার সকল গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল আন্দোলনের
নিবেদিতপ্রাণ সৈনিক কামাল লোহানী এখনও লড়াকু সম্মুখসারির জাতীয় ব্যক্তিত্ব।
৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের তিনি অন্যতম সংগঠক।
তিনি পূর্ব পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা
সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। তিনি প্রেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক,
ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গড়ে তুলেছেন সাংস্কৃতিক সংগঠন ক্রান্তি,
শহীদ আলতাফ মাহমুদ সঙ্গীত বিদ্যানিকেতন, রাজশাহী চারুকলা মহাবিদ্যালয়,
গণশিল্পী সংস্থাসহ সৃজনশীল অনেক প্রতিষ্ঠান। রাজনীতি-সংস্কৃতি ছাড়াও তাঁর
ক্ষুরধার লেখনী উজ্জীবিত করেছে এদেশের গণতান্ত্রিক-প্রগতির শক্তিকে। তিনি
অনেক গ্রন্থও রচনা করেছেন।
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শহীদজননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকী
২৬ জুন ২০০৯ইং শহীদজননী জাহানারা ইমামের পঞ্চদশ মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৪
সালের এই দিনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির নেত্রী জাহানারা
ইমাম ইন্তেকাল করেন।
তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,
১৯৯২ সালে তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল আন্দোলন
দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনর্জাগরণ ঘটায়। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের শত্রুদের
বিরুদ্ধে দেশের আপামর জনসাধারণের তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা স্বতঃস্কুর্ত আন্দোলনে রূপ
লাভ করে।
শহীদজননীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে তাঁর সমাধিতে পুষ্কপস্তবক অর্পণের মধ্য
দিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয়। বিকেল চারটায় ধানমন্ডির ডব্লিউভিএ
মিলনায়তনে জাহানারা ইমাম স্নারক বক্তৃতা ও জাহানারা ইমাম স্নৃতি পদক
প্রদান করা হয়।
এ বছর জাহানারা ইমাম স্নারক বক্তৃতা করেন ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম।
জাহানারা ইমাম স্নৃতি পদক পান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল
(অব.) আবু ওসমান চৌধুরী।
জাহানারা ইমাম আমৃত্যু একাত্তরের রাজাকার, আলবদর, আলশামসের সদস্যদের
বিচারের জন্য লড়াই করে গেছেন।
তাঁর ঘটনা বহুল জীবনী জানতে
ক্লিক
করুন।
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড-২০০৯ইং এ বিশেষ তালিকায় 'গুণীজন'
ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড-২০০৯ইং এর বিশেষ তালিকায় তালিকাভুক্ত হয়েছে
'গুণীজন' (www.gunijan.org.bd) । 'গুণীজন' ই-কালচার এবং হ্যারিটেজ
শাখায় ৬০টিরও বেশী মনোনয়ণের মধ্যে ৬ষ্ঠ স্হান অর্জন করেছে।
আগামী ১২ জুন ২০০৯ইং ম্যাক্সিকো সিটির মনট্রেতে অনুষ্ঠিতব্য এক জাঁকজমকপূর্ণ
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে। গোটা বিশ্বের তথ্য প্রযুক্তি
সম্পর্কিত উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে ২০০৩ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড
তার যাত্রা শুরু করে। প্রতি দুই বছর অন্তর এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
সূত্র: গুণীজন এবং ওয়েব সাইট-ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড ।
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|